April 19, 2026, 11:42 am

ডেমরায় নতুন নুর হোসেনের আর্বিভাব-প্রায় তিন কোটি টাকার চাঁদাবজি

প্রতিনিধি: ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ৬৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ছত্রছায়ায় ব্যাপক চাঁদাবাজি, পরিবহন থেকে শরু করে নদী পথ, বাড়ি করতে তাকে চাঁদাদিয়ে নিন্মান কাজ করতে হয় বলে ভোক্তবুগিদের অভিযোগ উঠেছে মাহমুদুল হাসান পলিনের বিরুদ্বে।

সরেজমিনে গিয়ে যানাযায়, ডেমরা স্টাফ কোয়াটার থেকে চিটাগাংরোডে চলাচল রত ইজিবাইক (অটো) প্রতিটি থেকে প্রতিদিন ৮০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন প্রায় ১৫০ টি ইজিবাইক (অটো) থেকে এবং চিটাগাংরোডে চলাচল রত মিশু অটো রিক্সা চলে প্রায় দুই থেকে আরাইশত প্রতিটি মিশু অটো রিক্সা থেকে চাঁদা আদায় করছে প্রতিটি থেকে প্রতিনিনি ৪০ টাকা করে। স্টাফ কোয়াটার থেকে বড়ভাংঙ্গা মিশু অটো রিক্সা চলাচল করে প্রায় দুইশত এখান থেকে ও প্রতিটি মিশু অটো রিক্সা থেকে প্রতিদিন ৪০ টাকা চাঁদা আদায় করছে। স্টাফ কোয়াটার থেকে কোনাপাড়া রোডে মিশু অটো রিক্সা চলাচল করে প্রায় একশত মিশু অটো প্রতিটি অটো রিক্সা থেকে প্রতিদিন ৪০ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়

সিটি কর্পোরেশনের নামে স্টানের গাড়ি ও এখান দিয়ে চলাচলরত কয়েক হাজার গাড়ি থেকে বিশ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে তার বাহিনি।তবে সবমিলিয়ে চাঁদার অংক দারায় কত?

চিটাগাংরোডে চলাচল রত ইজিবাইক (অটো) প্রতিটি থেকে প্রতিদিন ৮০ টাকা করে চাঁদা আদায় করলে ১৫০টি অটো থেকে টাকা আদায় হয় প্রতিদিন (বারো হাজার টাকা )এবং ত্রিশ দিনে এর হিসিব দারায় (৩ লক্ষ ৬০হাজার টাকা)

চিটাগাংরোডে চলাচল রত মিশু অটো চলে প্রায় দুইথেকে আরাইশত প্রতিটি মিশু অটো রিক্সা থেকে চাঁদা আদায় করছে প্রতিটি থেকে প্রতিনিনি ৪০ টাকা করে ৪০ টাকা করে চাঁদা আদায় করলে তার হিসেব দারায় প্রতিদিন দশ হাজার টাকা মাসে তার হিসেব দারায় তিন লক্ষ টাকা।

স্টাফ কোয়াটার থেকে বড়ভাংঙ্গার মিশু অটো রিক্সা চলাচল করে প্রায় দুইশত এখান থেকে প্রতিটি মিশু অটো রিক্সা থেকে ৪০ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে, এখনে প্রতিটি থেকে ৪০ টাকা করে আদায় করা হলে দুই শত মিশু থেকে চাঁদা আদায় হ্েচ্ছ প্রতিদিন আট জাজার টাকা ত্রিশ দিনে তার হিসিব দারায় (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা।

কোনাপাড়ায় চলাচলরত মিশু আছে পায় একশত এগুলো থেকে প্রতিদিন প্রতিটি মিশু অটো থেকে চাঁদা আদা করা হচ্ছে চল্লিশ টাকা করে তাহলে এখানে প্রতিদিন চাঁদা আদায় হচ্ছে চাঁর হাজার টাকা মাসে এর অংক দারায় (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।

আর যদি ধরা যায় সিটিকর্পোরেশনের নামে প্রতিটি গাড়ি থেকে বিশ টাকা করে চাঁদা আদায় হলে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার গাড়ি হতে চল্লিশ হাজার টাকা ত্রিশ দিনে তা গিয়ে দারায় (বারো লক্ষ টাকা।

মোট চাঁদার হিসেব দারায় মাসে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা বছরে চাঁদার হিসিব দারায় প্রায় তিন কোটিতে ।এছারা এলাকায় কোনলোক বাড়ি নিন্মান করতে হলে তাদের কাছ থেকে তাদের মনগরা মত দাম দিয়ে ইট বালু রড সিমেন্ট কিনতে হয় আর না হলেই নেমে আসে তাদের উপর হামলা মামলা। আবার শীতলক্ষা নদীতে ইজারার নামে জোরর্পূবক চাঁদাবাজি করছে তার বাহিনী। লাল বালু, পাথর, ও বালুবাহী টলার ,ড্রেজার পেলেতো আর কথাই নেই। সব মিলিয়ে মাহমুদুল হাসান পলিনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পরেছে সকল শ্রেনির মানুষ তারা বলছেন এজেন নতুন নুর হোসেনের আর্বিভাব ্তার অত্যাচার থেকে পরিতান চায় সকল শ্রেনির মানুষ ও ভোক্তভোগিরা।

এব্যপারে পলিনের মোঠোফোনে একাদিক বার ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।

আরো আসছে চোখঁ রাখুন আগামির সংখায়

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা